বিরতির পর যেন জেগে উঠল ফ্রান্স। বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল ওলিসের বাড়ানো বল গিয়ে পড়ে এমবাপ্পের পায়ে। সেটা প্রথম ছোঁয়াতেই তিনি জড়ান ইংল্যান্ডের জালে।
এরপর ব্র্যাডলি বারকোলা এবার গোল করে বসলেন। প্রতি আক্রমণে উঠে এসে বক্সে বল পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তা থেকে গোল করে ব্যবধান আরও একটু কমালেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় গোলের দেখা পেয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। কামব্যাক থেকে আর মোটে ১ গোলের দূরত্বে ফ্রান্স। ইংল্যান্ড ৪-৩ ফ্রান্স।
এর আগে চার গোল হজম করে বিরতিতে যায় ইং চতুর্থ গোলটায় দলের রক্ষণের যে অবস্থা হলো, সেটাই যেন পুরো দলের মানসিকতাকে তুলে ধরছে। মাঝমাঠ থেকে একটা পাস দিয়েছিলেন এজে। দুই ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডারের মাঝে দূরত্বটা ছিল অনেক বেশি, বলটা গিয়ে ঢুকল সেদিক দিয়েই, সেটা গিয়ে পড়ল বুকায়ো সাকার পায়ে। আর সেটাই প্রথম ছোঁয়ায় ফরাসিদের জালে জড়িয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড।
৩৭ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিল ইংল্যান্ড। তবে রাশফোর্ডের শুরুর শটটা ঠেকিয়ে দেন মাইক মেনিয়ঁ। তবে বুকায়ো সাকার ফিরতি সুযোগটায় তিনি ছিলেন অসহায়, তার রক্ষণও তাকে বাঁচাতে পারেনি। তৃতীয় গোল হজম করে বসে ফ্রান্স।

